Golden Bangladesh
Eminent People - তামিম ইকবাল খান

Pictureতামিম ইকবাল খান
Nameতামিম ইকবাল খান
DistrictChittagong
ThanaNot set
Address
Phone
Mobile
Email
Website
Eminent Typeক্রীড়া
Life Style

তামিম ইকবাল

ব্যক্তিগত তথ্য

পূর্ণ নাম

তামিম ইকবাল খান

ডাকনাম

তামিম

ব্যাটিংয়ের ধরন

বামহাতি

ভূমিকা

উদ্বোধনীব্যাটসম্যান

সম্পর্ক

আয়েশা সিদ্দিকী (স্ত্রী)
ইকবাল খান (বাবা)
নুসরাত ইকবাল (মা)
আকরাম খান (চাচা),
নাফিস ইকবাল (ভাই)

আন্তর্জাতিক তথ্য

জাতীয় পার্শ্ব

  • বাংলাদেশ

টেস্ট অভিষেকক্যাপ50

4 January 2008 বনাম New Zealand

শেষ টেস্ট

21 December 2011 বনাম Pakistan

ওডিআইঅভিষেক(ক্যাপ83

9 February 2007 বনাম Zimbabwe

শেষ ওডিআই

22 March 2012 বনাম Pakistan

ওডিআই শার্ট নং

29

ঘরোয়া দলের তথ্য

বছর

দল

2004–present

Chittagong Division

2011

Nottinghamshire

2012–present

Chittagong Kings

2012–present

Pune Warriors India

কর্মজীবনের পরিসংখ্যান

প্রতিযোগিতা

Test

ODI

FC

LA

ম্যাচ সংখ্যা

২৪

১১৩

৪৫

১৩১

রানের সংখ্যা

১,৭৪৮

৩,৩৬৮

৩,২৩১

৩,৯৪৭

ব্যাটিং গড়

৩৮.০০

৩০.০৭

৩৯.৪০

৩০.৫৯

১০০/৫০

৪/১০

৩/২৩

৬/২২

৪/২৬

সর্বোচ্চ রান

১৫১

১৫৪

১৫১

১৫৪

বলকরেছে

২৪

১৩২

উইকেট

বোলিং গড়

ইনিংসে৫ উইকেট

ম্যাচে ১০ উইকেট

n/a

n/a

সেরা বোলিং

ক্যাচ/স্ট্যাম্পিং

৮/–

৩০/–

২০/–

৩৭/–

উৎস:CricketArchive, 29 March 2012

তামিম ইকবাল খান (জন্ম: ২০ মার্চ,১৯৮৯) চট্টগ্রামে জন্মগ্রহণকারী একজন বাংলাদেশীক্রিকেটারতিনি শ্রীলঙ্কায় অনুষ্ঠিত অনুর্ধ্ব-১৯ক্রিকেটবিশ্বকাপে অংশগ্রহণ করেন। তামিম ইকবাল প্রিমিয়ার লীগে চট্টগ্রাম বিভাগীয় দলের হয়ে প্রথম-শ্রেণীর ক্রিকেট খেলেন। তিনি টেস্ট ক্রিকেটার নাফিস ইকবালের ভাই এবং বাংলাদেশের জনপ্রিয় ক্রিকেট তারকা আকরাম খানের ভাতিজা। তিনি বিশ্বকাপ ক্রিকেট২০০৭ সালে অংশগ্রহণ করেন এবং ভারতের বিপক্ষে প্রথম খেলায় ৫৩ বলে ৫১ রান করেন, যা ভারতকে পরাজিত করতে বিশেষ অবদান রাখে।

ক্রিকেট জীবন

২০০৯ মৌসুমের জুলাই-আগস্ট মাসে বাংলাদেশের ওয়েস্ট ইন্ডিজসফরে তামিম ইকবাল তার প্রথম টেস্ট শতক করেন। খেলোয়াড় ও ক্রিকেট বোর্ডের মধ্যে বিবাদের কারণে ক্যারিবীয় দলটি অবশ্য খানিকটা দুর্বল ছিল। ৭ জন খেলোয়াড়ের টেস্ট অভিষেক হয় এ ম্যাচে। তামিমের ব্যাটিং বাংলাদেশকে এক ঐতিহাসিক বিজয় এনে দেয়। এটি ছিল ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে বাংলাদেশের প্রথম টেস্ট বিজয় এবং দেশের বাইরের মাটিতেও প্রথম টেস্ট জয়।

তামিম ১২৮ রানে তার ইনিংস শেষ করেন এবং অসাধারণ ক্রীড়াশৈলীর কারণে ম্যান অব দ্য ম্যাচেরপুরস্কার জিতে নেন (প্রথম ইনিংসেও তিনি ৩৩ রান করেছিলেন)। নিজের ইনিংস সম্পর্কে বলতে গিয়ে তামিম বলেন,"উইকেট যথেষ্ট ফ্ল্যাট ছিল। আপনি যদি খেলায় ঠিকমত মনোনিবেশ করতে পারেন এবং সোজা ব্যাটে খেলেন, নিশ্চয়ই আপনি বড় স্কোর করতে পারবেন। আমার বয়স এখন বিশ এবং টেস্ট খেলেছি মাত্র ১১টি। আশা করছি, এরকম আরো অনেক ইনিংস আমি দলকে উপহার দিতে পারবো

প্রথম একদিনের আন্তর্জাতিক শতক আসে আয়ারল্যান্ড দলের বিপক্ষে। ভারত,শ্রীলঙ্কা নিয়ে ঢাকায় অনুষ্ঠিত ত্রি-দেশীয় সিরিজের আগে বাংলাদেশ ক্রিকেট দলেরপ্রশিক্ষকজেমি সিডন্স তার সম্পর্কে বলেছেন, "তামিম ইকবালের আন্তর্জাতিকমানের উদ্বোধনী ব্যাট্সম্যান হবার যোগ্যতা আছে"

২৫শে জানুয়ারী তামিম,জুনায়েদ সিদ্দিকীকে সঙ্গী করে ভারতের বিপক্ষে ১৫১ রানের রেকর্ড পার্টনারশিপ করেন। ১৩ই মার্চ, ২০১০ ইংল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজের প্রথম টেস্টে ৮৬ রানের একটি অনবদ্য ইনিংস খেলে তামিম ১০০০ রানের মাইলফলক স্পর্শ করেন। শুধুমাত্র শচীন টেন্ডুলকার এবং মোহাম্মদ আশরাফুল তারচেয়েও কম বয়সে এ মাইলফলক স্পর্শ করতে পেরেছিলেন। এই টেস্টেরই দ্বিতীয় ইনিংসে ও পরের টেস্টের প্রথম ইনিংসে তামিম পরপর দুটো সেঞ্চুরি করেন (১০৩ ও ১০৮ যথাক্রমে)।

২০১২ সালে এশিয়া কাপে তামিম ইকবাল ৪টি ম্যাচেই হাফ সেঞ্চুরি করেন এবং বাংলাদেশ ২য় বারের মতো কোনো ত্রি-দেশীয় ক্রিকেট সিরিজে ফাইনালে উঠে।

২০১২ সালের মার্চে তামিম আইপিএলেরপুনে ওয়ারিওর্স ক্রিকেট দলে যোগ দেন।

উইজডেনের বর্ষসেরা ক্রিকেটার

২০১১ সালে তামিম উইজডেন ক্রিকেটার্স অ্যালমেনাক ম্যাগাজিন কর্তৃক বছরের সেরা পাঁচ ক্রিকেটারের একজন হিসেবে নির্বাচিত হন।]গ্রেম সোয়ানবিরেন্দর শেওয়াগকে পেছনে ফেলে তামিম এ খেতাব জিতে নেন।

তথ্যসূত্র:উইকিপিডিয়া 

Rationale
UploaderRaihan Ahamed