Golden Bangladesh
Eminent People - হামিদুর রাহমান

Picture হামিদুর রাহমান
Name হামিদুর রাহমান
DistrictDhaka
ThanaNot set
Address
Phone
Mobile
Email
Website
Eminent Typeপার্ফরমিং আর্ট
Life Style

১৯৫৭ সালের নভেম্বর মাস শুরু হল শহীদ মিনার নির্মাণের কাজ শহীদ মিনারের কাজে একেবারে ডুবে গেলেন তিনি নিজ বাড়ি-ঘর ছেড়ে নির্মাণাধীন মিনারের পাশেই একটি খুপরি ঘরে বাসস্থান গড়লেন এই খুপরি ঘরেই তিনি ঘুমান আর বাকি সময় নিবিষ্টমনে কাজ করেন ভাষা আন্দোলন ভাষা শহীদদের প্রতীক হিসেবে মাথা তুলে দাঁড়িয়ে আছে যে শহীদ মিনার তা তাঁরই সৃষ্টি শহীদ মিনারের মূল স্তম্ভটি জননী-জন্মভূমির প্রতীক পরম স্নেহে জননী তাঁর সন্তানের দিকে ঝুঁকে আছেন দুই পাশে দাঁড়ানো রয়েছে তাঁর চারটি শহীদ সন্তান, যাঁরা মাতৃভাষার জন্য, মাতৃভূমির জন্য, মায়ের জন্য জীবন দিয়েছেন এই শহীদ মিনারের সামনে দাঁড়িয়ে বাংলাদেশের মানুষ তাঁকে শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করে- তিনি হলেন শিল্পী হামিদুর রহমান

মীর্জা এফ মোহাম্মদ জামিলা খাতুন ছিলেন সংস্কৃতি আমোদে মানুষ। পুরনো ঢাকার ইসলামপুরে আশিক লেনের একটি পুরনো দোতলা বাড়িতে থাকেন তাঁরা। এফ মোহাম্মদের সঙ্গে বন্ধুত্ব ছিল বিশ্ববিখ্যাত সঙ্গীত-সাধক ওস্তাদ আলাউদ্দিন খাঁর মতো মানুষদের। জামিলা খাতুনের সঙ্গে উপমহাদেশের প্রখ্যাত সঙ্গীত-শিল্পী আব্বাসউদ্দিনের সুফিবাদের গভীর তত্ত্ব নিয়ে আলোচনা বেশ জমে উঠত। এফ মোহাম্মদ তাঁর ভাই মীর্জা ফকির মোহাম্মদ ওই সময়ে ঢাকায় থিয়েটারের পৃষ্ঠপোষক ছিলেন। এই পরিবারের সঙ্গে ঢাকার সংস্কৃতিবান পরিবারগুলোর বেশ সখ্যতা ছিল।

শিল্প-সাহিত্য-সংস্কৃতির বিভিন্ন শাখার লোকজনের অবাধ যাতায়াত ছিল এই বাড়িতে। বাবা-মা পরিবারের বন্ধুদের গুণ ছড়িয়ে পড়ছিল ছেলেমেয়েদের মধ্যেও। এফ মোহাম্মদ জামিলা খাতুন দম্পতির ছেলে নাসির আহমদ, নাজির আহমদ, হামিদ আহমদ (হামিদুর রাহমান) সাঈদ আহমদ। এই দম্পতির তিন মেয়ে। মেহেরুননিসা বেগম, শামসুন্নাহার বেগম লুত্ফুন্নাহার বেগম।

হামিদুর রাহমান চিত্রশিল্পী হলেও শৈশবে তাঁর মূল আগ্রহের জায়গা ছিল গান কবিতা। স্কুলের অনুষ্ঠানগুলোতে গান গাওয়ার জন্য ডাক পড়ত হামিদুর রাহমানের। কবি সাহিত্যিক বন্ধুদের মতো তিনিও চাইতেন সাহিত্যচর্চায় নিবেদিত হতে। আবার একই সাথে চলত ছবি আঁকাও। হামিদুর রাহমানের শৈশবের শিক্ষা শুরু হয় পুরনো ঢাকার সেন্ট গ্রেগরি স্কুলে। ওই স্কুলে পড়ার সময় একদিন ভূগোলের ক্লাসে বসে মানচিত্র আঁকছিলেন। বাঁ হাতে কালির দোয়াত আর ডান হাতে আঁকছেন মানচিত্র। হঠাত্শার্টের বাঁ হাতায় কিছু একটা ঢুকে পড়ে। ডান হাতে মানচিত্র আঁকতে আঁকতেই শ্রেণিশিক্ষকের দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য বাঁ হাতটা তুলে ধরেন। বাঁ হাতের মুঠোতে ধরা দোয়াত থেকে কালি পড়ে তাঁর মুখ, গায়ের শার্ট- সব মাখামাখি হয়ে যায়। শ্রেণিকক্ষের মেঝেতেও কালি পড়ে। খুব অপমানিত বোধ করেন হামিদ। বাড়িতে গিয়ে বাবাকে বলেন, ওই স্কুলে তিনি আর যাবেন না। বাবা ছেলের মনের অবস্থাটা বুঝতে পেরে তাঁকে কলেজিয়েট স্কুলে ভর্তি করেন। সেই স্কুলের বেঞ্চিতে কালির দোয়াত বসানো থাকত। হাত দিয়ে দোয়াত ধরে রাখার কোনো ঝামেলা ছিল না। তাঁদের পুরনো ঢাকার সেই বাড়ির আশপাশেই ছিল নানা ধরনের কারিগর। তাঁতের শাড়ি, সোনার গয়না শঙ্খের কাজ করত তারা। কারিগররা তাদের গড়া জিনিসের ওপর নানা ধরনের নিপুণ নকশা ফুটিয়ে তুলত। স্কুলে পড়ার বয়সেই এসব ঘুরে ঘুরে দেখতেন হামিদ। ওই বয়সে বিখ্যাত ব্যক্তিদের ছবি এঁকে বন্ধুদের বাহবা কুড়াতেন তিনি। পুরনো ঢাকার কারিগরদের নকশা আঁকার নৈপুণ্য, রঙের

Rationale
UploaderRaihan Ahamed