Golden Bangladesh
Eminent People - মুন্সী শেখ জমিরউদ্দীন

Pictureমুন্সী শেখ জমিরউদ্দীন
Nameমুন্সী শেখ জমিরউদ্দীন
DistrictMeherpur
ThanaNot set
Address
Phone
Mobile
Email
Website
Eminent Typeব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলন
Life Style

ধর্ম প্রচারক, লেখক ও সমাজসেবক। জন্ম গাঁড়াডোব গ্রাম, মেহেরপুর ১৫ মাঘ, ১২৭৭ (১৮৭০)। নিষ্ঠাবান মুসলিম পরিবারে জন্ম। বাল্যকালে নামাজ-রোজা ইত্যাদি ইসলামিক বিধিবিধান নিয়মিতভাবে পালন। কৃষ্ণনগর নার্মাল স্কৃলে পাঠকালে খ্রিস্টান
মিশনারিদের সংস্পর্শে এসে ১৮৮৭-তে খ্রিস্টধর্ম গ্রহণ। নর্মাল পাঠসমাপ্ত করে খ্রিস্টান পাদ্রিদের সহায়তায় ১৮৯১-তে এলাহাবাদ সেন্ট পলস ডিভিনিটি কলেজে ভর্তি। এ কলেজ থেকে প্রথম বিভাগে হায়ার গ্রেড অব থিয়লজি ডিগ্রি লাভ (১৮৯৩)। কলকাতা ক্যাথিড্রাল মিশন ডিভিনিটি কলেজে কিছুকাল অধ্যয়ন। এসব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের খ্রিস্টধর্ম তত্ত্ব এবং সংস্কৃত, আরবি, গ্রিক, হিব্রভাষা ও সাহিত্য শিক্ষা গ্রহণ। প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা শেষ করে খ্রিস্টধর্ম প্রচারে আত্মনিয়োগ। কিছুকাল পরে বাইবেলের অকৃত্রিমতা সম্বন্ধে মনে সংশয় দেখা দেয়ার খ্রিস্টধর্ম ত্যাগ করে আবার ইসলাম ধর্মে দীক্ষা গ্রহণ। এরপর স্বীয় গ্রামের স্কুলে শিক্ষকতার কর্মে যোগদান। কিছুকাল পর এ কর্ম ত্যাগ করে মুুন্সী মেহেরুল্লাহর সহচর হিসেবে ইসলাম ধর্ম প্রচারে মনোনিবেশ। খ্রিস্টান 
মিশনারিরা ইসলাম ধর্মকে আক্রমণ করে যে সব পুস্তক -পুস্তিকা প্রকাশ করেন তার প্রতিবাদে পুস্তক রচনা করে খ্যাতি অর্জন। ইসলামের সত্য ও সৌন্দর্যের অন্বেষণই তাঁর লেখার বিষয়বস্তু। গ্রন্থ: আমার জীবনী ও ইসলাম গ্রহণ বৃত্তান্ত (১৩০৪), হজরত ইসা কে? (১৩০৬), ইসলামী বক্তৃতা (১৩১৪),

মেহের-চরিত (১৩১৫), শ্রেষ্ঠ নবী হজরত মোহাম্মদ (দঃ) ও পাদরীর ধোকাভঞ্জন (১৩২৩), ইঞ্জিলে হজরত মোহাম্মদ (দঃ) ও পাদরী ওয়েঙ্গার সাহেবের সাক্ষ্য (১৩২৩), ইঞ্জিলে হজরত মোহাম্মদ (দঃ) ও পাদরী রাউস সাহেবের সাক্ষ্য (১৩৩২), এষড়ৎু ড়ভ ওংষধস (১৯২৯) ইত্যাদি। ইসলাম ধর্মের একজন বিশিষ্ট প্রচারক ও সেবক। তেজস্বী ওয়াজকারী হিসেবে প্রসিদ্ধি লাভ। ইসলামের আদর্শ প্রচার ও খৃষ্টান ধর্মের অসারতা প্রমান করে তিনি ৪৫টি গ্রন্থ রচনা করেছিলেন। ঐসব গ্রন্থের মাধ্যমে তিনি মুসলমান সমাজকে রক্ষা করার জন্য যে উদ্যোগ গ্রহণ করতে সক্ষম হয়েছিলেন, তা খুবই উল্লেখযোগ্য। এ অঞ্চলের মুসরিম সমাজ তার কাছে চিরঋণী। মৃত্যু গাঁড়াডোব, ২ জুন, ১৯৩৭ (আষাঢ় ১৩৪৪)।

জাতীয়তাবাদী সংগ্রাম ও স্বদেশ স্বাধীনতার বীর যোদ্ধা,ভাষা সংগঠক, গণমানুষের প্রিয় নেতা সাবেক সংসদ সদস্য মরহুম আহম্মদ আলী । ………আহম্মদ আলী (১৯৩৫-১৯৯৯) ঃ বিশিষ্ট রাজনীতিক ও সমাজ সেবক। এদেশের গণতান্ত্রিক আন্দোলনে সাবেক সংসদ সদস্য ও বিএনপি কেন্দ্রীয় কমিটি সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক (খুলনা বিভাগ) মরহুম আহম্মদ আলী গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন। তিনি মেহেরপুর-১ আসন থেকে ৩ বার এমপি নির্বাচিত হন। তিনি ১৯৩৫ সালের ১৪ই এপ্রিল জন্মগ্রহণ করেন। পিতার নাম মরহুম তমিজউদ্দিন আহমেদ। দেশ বিভাগের পর তিনি মেহেরপুরের কাঁসারীপাড়ায় স্থায়ীভাবে বসবাস শুরু করেন। তিনি ছাত্র জীবন থেকে রাজনীতি শুরু করেন। ১৯৫২ সালে ভাষা আন্দোলনে সক্রিয় ভূমিকা রাখেন। ১৯৫৪ সালে ভাসানী-সোহরাওয়ার্দীর নেতৃত্বে যুক্তফ্রন্টের নির্বাচনে চট্টগ্রামে ছাত্র-কর্মী শিবিবের আহবায়ক ছিলেন। ১৯৫৭ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়নের যুগ্ম আহবায়ক নির্বাচিত হন। এই বছরই তিনি বি.এ পাশ করেন। পরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এম.এ শেষ বর্ষে অধ্যয়নকালে মওলানা ভাসানীর ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টিতে যোগদান করেন এবং সফলতার সাথে এম.এ ডিগ্রী অর্জন করেন। মওলানা ভাসানীর নেতৃত্বে তিনি ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টির বৃহত্তর কুষ্টিয়া জেলার সাধারণ সম্পাদক এবং কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য হিসাবে দায়িত্ব পালন করেন। ৬৮-৬৯ সালে মওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানীর (ন্যাপ) গণতান্ত্রিক আন্দোলনে অন্যতম সংগঠক ছিলেন। এসময় আইযুব বিরোধী গণ-আন্দোলনে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণের এক পর্যায়ে তিনি গ্রেফতার হন। ১৯৭১ সালে তিনি ভারতে চলে যান এবং মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। তিনি মেহেরপুর বণিক সমিতির সভাপতি ছিলেন। ব্যক্তিগত জীবনে তিনি অত্যন্ত সাদামাটা জীবন যাপন করতেন। তৎকালীন ইউপিপি রাজনীতির সাথে জড়িত ছিলেন। তিনি পরবর্তীতে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা সদস্য হন।
১৯৭৯ সাল থেকে পরবর্তী পর্যায়ে তিনি জাতীয় সংসদের মেহেরপুর -১ আসন থেকে ৩ বার এমপি নির্বাচিত হন। ৯ই ফেব্রয়ারী ১৯৯৯ মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণজনিত কারণে তিনি এমপি হোষ্টেলে জ্ঞানশূন্য হয়ে পড়লে ঢাকা ডায়াবেটিস হাসপাতালে ভর্তি হন। ৪ দিন অচৈতন্য থাকার পর তিনি ১৩ ফেব্রয়ারী ১৯৯৯ শনিবার ঢাকার বারডেম হাসপাতালে ইন্তেকাল করেন। এ অঞ্চলের উন্নয়নে তার ভূমিকা বিশেষ ভাবে উল্লেখযোগ্য। ভাষা আন্দোলনে ভূমিকা রাখার জন্য তাকে ১৯৮০ সালে একুশে পদক প্রদান করা হয়।

স্বামী নিগমানন্দ পরমহংস (১৮ আগষ্ট, ১৮৮০- ২৯ নভেম্বর, ১৯৩৫) বর্তমানে বাংলাদেশের মেহেরপুর জেলায় কুতুবপুর নামক ছোট গ্রামে এক বাহ্মণ পরিবারে জন্মগ্রহন করেন। তিনি শ্রী শ্রী ঠাকুর নামেও পরিচিত। চৈতন্য মহাপ্রভুও এই একই জেলায় জন্মগ্রহন করেছিলেন।
সন্ন্যাস গ্রহণের পর তিনি পরমহংস শ্রীমদ স্বামী নিগমানন্দ সরস্বতী দেব নামে পরিচিত হন।


নিগমানন্দ ছিলেন ভারতের একজন সত্গুরু ও সাধু।তিনি ছিলেন পূর্ব ভারতে সুপরিচিত একজন হিন্দু যোগী ও আধ্যাত্মিক নেতা।[৭] তিনি শাক্ত সম্প্রদায়ভুক্ত একজন ভারতীয় হিন্দু গুরু, ও হিন্দু দার্শনিকও ছিলেন এবং তন্ত্র ও যোগের একজন উত্কৃষ্ট আধ্যাত্মিক গুরু হিসেবে তাকে দেখা হতো।
নিগমানন্দের অনুসারীরা বিশ্বাস করেন যে তিনি চারটি ভিন্ন সাধনায় যথা তন্ত্র, জ্ঞান, যোগ এবং প্রেমে সিদ্ধি লাভ করেন।এই সকল অভিজ্ঞতার উপর ভিত্তি করে তিনি বাংলা ভাষায় ৫টি গ্রন্থ রচনা করেন: ব্রহ্মচর্য সাধনা, যোগী গুরু, জ্ঞানী গুরু, তান্ত্রিক গুরু এবং প্রেমিক গুরু ।স্বামী নিগমানন্দ নির্বিকল্প সমাধি লাভ করেছিলেন।

  তথ্যসূত্র:জেলা তথ্য বাতায়ন  
Rationale
UploaderRaihan Ahamed