Golden Bangladesh
জামালপুর জেলার ইতিহাস

[গোল্ডেন বাংলাদেশ দেশের 64 জেলার ইতিহাস সহ প্রত্যেক জেলার গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সংযোজনের মাধ্যমে সেবা প্রদান করতে বদ্ধ পরিকর। তাই প্রত্যেক জেলার সদস্যদের নিজ জেলার তথ্য আপলোড করার জন্য অনুরোধ করা হচ্ছে। তথ্য আপলোড কারীর নাম তথ্যসূত্রে উল্লেখ করা হবে। তাই দেরি না করে নিজ জেলার গৌরবময় ইতিহাস সংযোজন করে সাইটটিকে সমৃদ্ধশালী করার জন্য অনুরোধ করা হচ্ছে।]   

পুরাতন ব্রহ্মপুত্র নদীর পশ্চিম তীরে অবস্থিত জামালপুর জেলা বাংলাদেশের উত্তর-মধ্যাংশের একটি জেলা এবং ঢাকা বিভাগের একটি প্রশাসনিক অঞ্চল। বিশেষ করে কৃষি পণ্যের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্য কেন্দ্র। এটি রেল পথে ময়মনসিংহ, জগন্নাথগঞ্জ ঘাট, এবং বাহাদুরাবাদ ঘাট ও ময়মনসিংহ, টাঙ্গাইল, এবং মেঘালয় (ভারত) এর সঙ্গে রাস্তা দ্বারা সংযুক্ত। কৃষি প্রধান এ অঞ্চলে মূলত প্রধান ফসলের মধ্যে ধান, পাট, আখ, সরিষা বীজ, চিনাবাদাম, এবং গম হয়। 

ইতিহাস

ঐতিহাসিক সূত্রে জানাযায়, দিল্লির সম্রাট আকবরের রাজত্বকালে (১৫৫৬- ১৬০৫) হযরত শাহ জামাল (রহ.) নামে একজন ধর্মপ্রচারক ইয়েমেন থেকে ইসলাম প্রচারের উদ্দেশ্যে ২০০ অনুসারী নিয়ে এ অঞ্চলে এসেছিলেন। পরবর্তীতে ধর্মীয় নেতা হিসাবে দ্রূত তার প্রাধান্য বিস্তার লাভ করে। ধারনা করা হয়, হযরত শাহ জামাল (রহ.) এর নামানুসারে এই শহরের নামকরণ হয় জামালপুর। সাধক দরবেশ হযরত শাহ্ জামাল (র:) এর পূণ্যস্মৃতি বিজড়িত নয়নাভিরাম সৌন্দর্যমন্ডিত গারো পাহাড়ের পাদদেশে যমুনা-ব্রহ্মপুত্র বিধৌত বাংলাদেশের অন্যতম একটি জেলা জামালপুর। ১৯৭১ সালে ১০ ডিসেম্বর জামালপুর হানাদার বাহিনী মুক্ত হয়। ১৯৭৮ সালে ২৬ ডিসেম্বর জামালপুরকে বাংলাদেশের ২০তম জেলা হিসেবে ঘোষণা করা হয়।

বিবরণ

জনসংখ্যা ২৩,৮৪,৮১০ জন; পুরুষ ৫০.৫৮%, মহিলা ৪৯.৪২%; মুসলিম ৯৭.৭৪%, হিন্দু ১.৯৮%, খ্রিষ্টান ০.০১%, বৌদ্ধ ০.০৪% এবং অন্যান্য ০.১৪%; উপজাতিগোষ্ঠী: গারো, হদি, কুর্মী এবং মাল অন্যতম।

ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান: মসজিদ ৪২০২ টি, মন্দির ৪৪ টি, গীর্জা ৩৯, সমাধি ১৩, সবচেয়ে সুপরিচিত শৈলেরকান্ধা জামে মসজিদ, গৌরীপুর কাচারী জামে মসজিদ, শাহ জামাল (রা:) সমাধি, শাহ কামাল (রা:) এবং দয়াময়ী মন্দির।

শিক্ষার হার ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান: শিক্ষার গড় হার ৩৮.৫%, পুরুষ ৪১.১% , মহিলা ৩৫.৯%. শিক্ষা প্রতিষ্ঠান: সরকারী কলেজ ৫ টি, বেসরকারী কলেজ ২০ টি, সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয় ৭ টি, বেসরকারী মাধ্যমিক বিদ্যালয় ২২৪ টি, মাদ্রাসা ১১৩ টি, জুনিয়র হাইস্কুল ৩৮ টি, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ৫৮৮ টি, বেসরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় ৩৯০, kindergarten স্কুল ১৩, আইন কলেজ ১ টি, হোমিওপ্যাথি কলেজ ১ টি, কৃষি গবেষণা কেন্দ্র ১ টি। আশেক মাহমুদ বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ, জামালপুর জিলা স্কুল, সিংহজানি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়, নান্দিনা পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়, পিংনা মাদ্রাসা (সম্রাট শাহজাহান এর সময়ের) ইত্যাদি প্রতিষ্ঠান সুখ্যাত। [চলছে....]

তথ্যসূত্র : http://bn.wikipedia.org