Golden Bangladesh
পঞ্চগড় জেলার পর্যটন অঞ্চল/দর্শনীয় স্থান সমূহ

পঞ্চগড় জেলার পর্যটন অঞ্চল/দর্শনীয় স্থান সমূহ

বার আউলিয়া মাজার শরীফ

বার আউলিয়া মাজার শরীফের সংক্ষিপ্ত বর্ণনা

উপজেলা সদর হতে ৯ কিঃমিঃ উত্তর-পূর্বে মির্জাপুর ইউনিয়নের বার আউলিয়া গ্রামের বিস্তীর্ণ ভূমিতে অবস্থিত বার আউলিয়া মাজার শরীফ। বার আউলিয়া ওলীদের আগমনের ইতিহাস বিভিন্ন সূত্র থেকে জানা গেলেও ওলীদের ইতিহাস রহস্যাবৃত। এঁদের লিখিত কোন ইতিহাস আজও পাওয়া যায়নি। বার জন ওলী সূফী-সাধক চট্রগ্রামের শহর প্রান্তে প্রথমে এসে আস্তানা স্থাপন করেন। সেই জায়গাটি আজও বার আউলিয়া নামে প্রসিদ্ধ। জানাগেছে, বার জন ওলী খাজা বাবার নির্দেশে চট্রগ্রাম সহ পূর্ববঙ্গের বিভিন্ন অঞ্চলে আস্তানা গড়ে তুলে ইসলাম প্রচার শুরু করেন। পরে স্থল পথে রওয়ানা হয়ে ইসলাম প্রচার করতে করতে উত্তরবঙ্গের শেষ প্রান্ত এসে পৌছান এবং পঞ্চগড়ের আটোয়ারী উপজেলার মির্জাপুর ইউনিয়নের বার আউলিয়ায় আস্তানা গড়ে তুলে ইসলাম প্রচার শুরু করেন। আটোয়ারীর মাটিকে পুণ্য ভূমিতে পরিণত করে সময়ের বিবর্তনে ওলীদের এখানেই সমাহিত করা হয়। গড়ে ওঠে বার আউলিয়া মাজার শরীফ। তৎকালীন সময়ে স্থানীয় কিছু মানুষ ও খাদেমগণ বৈশাখ মাসের শেষ বৃহস্পতিবার খুব স্বল্প পরিসরে ওরস পালন করতেন। বর্তমান সময়ের মতো লক্ষ লক্ষ লোকের সমাগম হতো না। বার আউলিয়া মাজার সম্প্রসারণের বিষয়ে বাস্তব ইতিহাস রয়েছে। ইতিহাসটি হলো- ১৯৯০ সালের দিকে পঞ্চগড় জেলার তৎকালীন জেলা প্রশাসক আবুল বাশার আহাম্মদ একদিন জীপ গাড়ীতে বার আউলিয়া মাজার রাস্তা দিয়ে যাচ্ছিলেন। হঠাৎ তার জীপ বন্ধ হয়ে যায়। অনেক চেষ্টার পরও জীপের ইঞ্জিন চালু না হওয়ায় স্থানীয় লোকজন মাজার শরীফ দেখিয়ে দেন। তিনি তাৎক্ষণিক ওযু করে মাজার জিয়ারত করেন। প্রার্থনা শেষে, গাড়ীতে বসলে বিনা ধাক্কায় গাড়ীর ইঞ্জিন চালু হয়। ঐদিন রাতেই তিনি ওলীদের দ্বারা স্বপ্নে বার আউলিয়া মাজার উন্নয়নের নির্দেশনা পান এবং পরের দিন সকালে আবার মাজার জিয়ারত করতে আসেন। সে সঙ্গে তার অসুস্থ দুই পুত্রের জন্য মানত করে মাজার উন্নয়নে এগিয়ে আসেন। তাঁর আহবানে এলাকায় ব্যাপক সাড়া জাগে এবং প্রথমে তিনি একত্রে পাশাপাশি অবস্থিত দুজন ওলীর কবরের উপর একটি পাঁকা দালান নির্মাণ করেন। এরপর উপজেলার নলপুখুরী গ্রামের মোঃ খলিলুর রহমান অবশিষ্ট দশ জন ওলীর কবরের প্রতিটির চার পার্শ্বে দেওয়াল নির্মাণ করেন। তৎকালীন স্পীকার, আইন বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী মরহুম মির্জা গোলাম হাফিজ এর প্রচেষ্টায় প্রায় ৪৭ একর জমিতে মাজার কমপেক্স, মাজার, গোরস্তান, পুকুর, মসজিদ, মাদ্রসা ও ডাকবাংলা নির্মিত হয়।

তারপর থেকে ক্রমান্বয়ে ওরস বিস্তৃতি লাভ করে। ১৯৯৪ সাল থেকে জেলা প্রশাসকের প্রত্যক্ষ তত্ত্বাবধানে বাৎসরিক ওরশ, মাজার ব্যবস্থাপনা, মাজার উন্নয়নসহ নানাবিধ কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে।

মির্জাপুর শাহী মসজিদ

মির্জাপুর শাহী মসজিদটি আটোয়ারী উপজেলার মির্জাপুর ইউনিয়নের মির্জাপুর গ্রামে অবস্থিত। ১৬৭৯ খ্রিষ্টাব্দে (সম্ভাব্য) নির্মিত ঢাকা হাইকোর্ট প্রাঙ্গণে অবস্থিত মসজিদের সাথে মির্জাপুর শাহী মসজিদের নির্মাণ শৈলীর সাদৃশ্য রয়েছে। এ থেকে ধারণা করা হয় ঢাকা হাইকোর্ট প্রাঙ্গনে অবস্থিত মসজিদের সমসাময়িক কালে এ মির্জাপুর শাহী মসজিদের নির্মাণ কাজ সম্পন্ন হয়। দোস্ত মোহম্মদ নামে এক ব্যক্তি এটির নির্মাণ কাজ শেষ করেন মর্মে জানা যায়। মসজিদের নির্মাণ সম্পর্কে পারস্য ভাষায় লিখিত মধ্যবর্তী দরজার উপরিভাগে একটি ফলক রয়েছে । ফলকের ভাষা ও লিপি অনুযায়ী ধারণা করা হয় মোঘল সম্রা্ট শাহ আলমের রাজত্বকালে এর নির্মাণ কাজ সম্পন্ন হয়। মসজিদটির দেওয়ালের টেরাকোটা ফুল এবং লতাপাতার নক্সা খোদাই করা রয়েছে মসজিদের সন্মুখভাগে আয়তাকার টেরাকোটার নক্সাসমুহের উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্য হচ্ছে - একটির সাথে অপরটির কোন মিল নেই, প্রত্যেকটি পৃথক পৃথক। মসজিদটির দৈর্ঘ্য ৪০ ফুট, প্রস্থ ২৫ ফুট এবং এক সারিতে ০৩ (তিন) টি গম্বুজ আছে।

মসজিদের নির্মাণ শৈলীর নিপুনতা ও দৃষ্টিনন্দন কারুকার্য এখনও দর্শনার্থীদের আকৃষ্ট করে।

কিভাবে যাওয়া যায়: 

রাজধানী ঢাকা হতে ডে/নাইট কোচ যোগে সরাসরি আটোয়ারী উপজেলা বাস ষ্ট্যান্ড। আটোয়ারী থেকে বাসযোগে মির্জাপুর ৬ কিলোমিটার। মির্জাপুর হতে পূর্বদিকে রিক্সা/ভ্যানযোগে ১কিলোমিটার মির্জাপুর শাহী মসজিদ। রাজধানী ঢাকা'র কমলাপুর রেল ষ্টেশন হতে সরাসরি দিনাজপুর ষ্টেশন। অতঃপর দিনাজপুর হতে কিসমত (আটোয়ারী) রেল ষ্টেশন হয়ে বাস/রিক্সা/ভ্যানযোগে ৬কিলোমিটার আটোয়ারী উপজেলা। আটোয়ারী থেকে বাসযোগে মির্জাপুর ৬ কিলোমিটার। মির্জাপুর হতে পূর্বদিকে রিক্সা/ভ্যানযোগে ১ কিলোমিটার মির্জাপুর শাহী মসজিদ।

মহারাজার দিঘী

মহারাজার দিঘীঃ রাজপ্রাসাদের সন্নিকটে ছিল একটি বড় পুকুর বর্তমানে যা মহারাজার দিঘী নামে পরিচিত। মহারাজার দিঘী একটি বিশালায়তনের জলাশয়। পাড়সহ এর আয়তন প্রায় ৮০০X৪০০ গজ। পাড়ের উচ্চতা প্রায় ২০ ফুট। জলভাগের আয়তন প্রায় ৪০০X২০০ গজ। পানির গভীরতা প্রায় ৪০ ফুট বলে স্থানীয় অধিবাসীদের বিশ্বাস। পানি অতি স্বচ্ছ। দিঘীতে রয়েছে মোট ১০টি ঘাট। ধারণা করা হয় পৃথূ রাজা এই দিঘীটি খনন করেন। কথিত আছে পৃথু রাজা  পরিবার-পরিজন ও ধনরত্ন সহ ‘‘কীচক’’ নামক এক নিম্ন শ্রেণীর দ্বারা আক্রমণের শিকার হয়ে তাদের সংস্পর্শে ধর্ম নাশের ভয়ে উক্ত দিঘীতে আত্মহনন করেন। প্রতি বছর বাংলা নববর্ষে উক্ত দিঘীর পাড়ে মেলা বসে। উক্ত মেলায় কোন কোন বার ভারতীয় লোকের উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়।

কিভাবে যাওয়া যায়: 

পঞ্চগড় কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনাল হতে তেঁতুলিয়াগামী বাসযোগে বোর্ড অফিস নামক স্থান হয়ে রিক্সা/ভ্যান যোগে পূর্বদিকে ০৫ কিলোমিটার। 

ভিতরগড় দুর্গনগরী

উপজেলা সদর দপ্তর হতে প্রায় ১৫ (পনের) কিলোমিটার উত্তর-পূর্বে বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তবর্তী এলাকায় অবস্থিত ভিতরগড় দুর্গনগরী প্রাচীন যুগের একটি বিরাত কীর্তি। প্রায় ১২ বর্গমাইল এলাকা জুড়ে এই বিশাল গড় ও নগরীর অবস্থান। ১৯৪৭ সালে দেশভাগের পর বর্তমান এ দুর্গনগরীর কিছু অংশ ভারতের মধ্যে পড়েছে। ঐতিহাসিকদের মতে ভিতরগড় পূর্ণ নির্মাণ করেন প্রাচীন কামরুনের শুদ্রবংশীয় রাজা দেবেশরের বংশজাত পৃথু রাজা। সম্রাট হর্ষবর্ধনের সময় পৃথু রাজার অভ্যূলয় ঘটে। তিনি কামরুপে পরাজিত হয়ে ভিতরগড় এলাকায় গমন করেন এবং নির্মাণ করেন এই গড়। ভিতরগড় দুর্গে একটি বড় দিঘী (মহারাজার দীঘি) ও কয়েকটি ছোট ছোট দীঘি আছে এবং এর ভিতরে মন্দির, প্রসাদ ও ইমারতের এবং সাবশেসে এবং বাইরে পরিখা ও মানীর প্রাচীর এখনো দেখা যায়।

 

কিভাবে যাওয়া যায়: 

পঞ্চগড় কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনাল হতে তেঁতুলিয়াগামী বাসযোগে বোর্ড অফিস নামক স্থান হয়ে রিক্সা/ভ্যান যোগে পূর্বদিকে ০৫ কিলোমিটার।

বাংলাবান্ধা জিরো পয়েন্ট

বাংলাবান্ধা জিরো (০) পয়েন্ট
হিমালয়ের কো'লঘেঁষে বাংলাদেশের সর্বোত্তরের উপজেলা তেঁতুলিয়া। এই উপজেলার ১নং বাংলাবান্ধা ইউনিয়নে অবস্থিত বাংলাদেশ মানচিত্রের সর্বোত্তরের স্থান বাংলাবান্ধা জিরো (০) পয়েন্ট ও বাংলাবান্ধা স্থলবন্দর। এই স্থানে মহানন্দা নদীর তীর ও ভারতের সীমান্ত সংলগ্ন প্রায় ১০ একর জমিতে ১৯৯৭ সালে নির্মিত হয় বাংলাবান্ধা স্থলবন্দর, নেপালের সাথে বাংলাদেশের পণ্য বিনিময়ও সম্পাদিত হয় বাংলাবান্ধা জিরো (০) পয়েন্টে। সম্প্রতি এ বন্দরের মাধ্যমে ভারতের সাথে আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম শুরু হয়েছে। এ ছাড়া নেপাল ও ভুটানের সাথেও এ বন্দরের মাধ্যমে অর্থনৈতিক সম্পর্ক সুদৃঢ় হচ্ছে। এটি বাংলাদেশের একমাত্র স্থলবন্দর যার মাধ্যমে তিনটি দেশের সাথে সুদৃঢ় যোগাযোগ গড়ে উঠার সম্ভাবনা সৃষ্টি হয়েছে। এখানে খুব শিঘ্রই ভারতের সাথে ইমিগ্রেশন চালু হতে যাচ্ছে। এটি চালু হলে পঞ্চগড় জেলা পর্যটকদের প্রাণকেন্দ্রে পরিণত হবে।

কিভাবে যাওয়া যায়: 

ঢাকা থেকে পঞ্চগড়গামী পরিবহনে পঞ্চগড় এসে পঞ্চগড় থেকে লোকার বাস, প্রাইভেট বা মাইক্রো ভাড়া করে ৫৫ কি. মি. দুরত্ব অতিক্রম করে বাংলাবান্ধা যাবার পর এই জিরো পয়েন্টটি দর্শন করা যাবে।

গোলকধাম মন্দির

গোলকধাম মন্দিরটি পঞ্চগড় জেলার দেবীগঞ্জ উপজেলার শালডাংগা ইউনিয়নের শালডাংগা গ্রামে অবস্থিত। মন্দিরটি ১৮৪৬ সালে নির্মিত হয়। দেবীগঞ্জ উপজেলা সদর হতে প্রায় ১২ কিঃ মিঃ হতে উত্তর পশ্চিমে মন্দিরটি অবস্থিত।  মন্দিরটি অষ্টাদশ শতকের স্থাপত্যের একটি চমৎকার নিদর্শণ। এ স্থাপত্য কৌশল গ্রীক পদ্ধতির অনুরূপ।

কিভাবে যাওয়া যায়: 

গোলকধাম মন্দিরটি পঞ্চগড় জেলার দেবীগঞ্জ উপজেলার শালডাংগা ইউনিয়নের শালডাংগা গ্রামে অবস্থিত। মন্দিরটি ১৮৪৬ সালে নির্মিত হয়। দেবীগঞ্জ উপজেলা সদর হতে প্রায় ১২ কিঃ মিঃ হতে উত্তর পশ্চিমে মন্দিরটি অবস্থিত।

তেঁতুলিয়া ডাক-বাংলো

পঞ্চগড় জেলার তেঁতুলিয়া উপজেলা সদরে একটি ঐতিহাসিক ডাক বাংলো আছে। এর নির্মাণ কৌশল অনেকটা ভিক্টোরিয়ান ধাচের। জানাযায় কুচবিহারের রাজা এটি নির্মাণ করেছিলেন। ডাক-বাংলোটি জেলা পরিষদ কর্তৃক পরিচালিত। এর পাশাপাশি তেঁতুলিয়া উপজেলা পরিষদ কর্তৃক নির্মিত একটি পিকনিক কর্ণার রয়েছে। উক্ত স্থান দুইটি পাশাপাশি অবস্থিত হওয়ায় সৌন্দর্য বর্ধনের বেশী ভূমিকা পালন করছে। সৌন্দর্য বর্ধনে এ স্থান দুটির সম্পর্ক যেন মুদ্রার এপিঠ ওপিঠ। মহানন্দা নদীর তীর ঘেঁষা ভারতের সীমান্ত সংলগ্ন (অর্থাৎ নদী পার হলেই ভারত) সুউচ্চ গড়ের উপর সাধারণ ভূমি হতে প্রায় ১৫ হতে ২০ মিটার উচুতে ডাক-বাংলো এবং পিকনিক কর্ণার অবস্থিত। উক্ত স্থান হতে হেমন্ত ও শীতকালে কাঞ্চন জংঘার সৌন্দর্য উপভোগ করা যায়। বর্ষাকালে মহানন্দা নদীতে পানি থাকলে এর দৃশ্য আরও বেশী  মনোরম হয়। শীতকালে এখানকার প্রাকৃতিক সৌন্দর্য উপভোগ করার জন্য অনেক দেশী- বিদেশী পর্যটকের আগমন ঘটে।

কিভাবে যাওয়া যায়: 

পঞ্চগড় জেলার তেঁতুলিয়া উপজেলা সদরে অবস্থিত। পঞ্চগড় সদর উপজেলা হতে ৫৫ কি.মি. সড়কপথে তেঁতুলিয়া সদর উপজেলার মহানন্দা নদীর পাড় ঘেষে এই ডাকবাংলো অবস্থিত।


মহারাজার দিঘী

পঞ্চগড় শহর থেকে প্রায় ১৫ কিলোমিটার উত্তরে পঞ্চগড় সদর উপজেলাধীন অমরখানা ইউনিয়নে অবস্থিত একটি বড় পুকুর বর্তমানে যা মহারাজার দিঘী নামে পরিচিতি। মহারাজার দিঘী একটি বিশালায়তনের জলাশয়। পাড়সহ এর আয়তন প্রায় ৮০০ × ৪০০ গজ। পানির গভীরতা প্রায় ৪০ শ ফুট বলে স্থানীয় অধিবাসীদের বিশ্বাস। পানি অতি স্বচ্ছ। দিঘীতে রয়েছে মোট ১০টি ঘাট। ধারনা করা হয় পৃথু রাজা এই দিঘীটি খনন করেন। কথিত আছে পৃথু রাজা পরিবার-পরিজন ও ধনরতœ সহ কীচক নামক এক নিম্ন শ্রেণীর দ্বারা আক্রমণের শিকার হয়ে তাদের সংস্পর্শে ধর্ম নাশের ভয়ে উক্ত দিঘীতে আত্মহনন করেন। প্রতি বছর বাংলা নববর্ষে উক্ত দিঘীর পাড়ে মেলা বসে। উক্ত মেলায় কোন কোন বার ভারতীয় লোকের উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়। এই বিশাল দিঘীর চারপাশে রয়েছে অনেক গাছগাছালির সবুজের কারুকার্য, স্নিগ্ধ সমীরণ, সৌম্য শান্ত পরিবেশ যা এখনো সবার কাছে বিরল মনে হয়।

কিভাবে যাওয়া যায়: 

পঞ্চগড় শহর থেকে প্রায় ১৫ কিলোমিটার উত্তরে পঞ্চগড় সদর উপজেলাধীন অমরখানা ইউনিয়নে অবস্থিত।

তথ্যসূত্র : জেলা তথ্যবাতায়ন