Golden Bangladesh
নীলফামারী জেলার পর্যটন অঞ্চল/দর্শনীয় স্থান সমূহ

নীলফামারী জেলার পর্যটন অঞ্চল/দর্শনীয় স্থান সমূহ

চিনি মসজিদ
 

কয়েক’শ দক্ষ কারিগর এবং শিল্পির একনিষ্ঠ পরিশ্রমের ফসল হিসেবে ১৮৬৩ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় এই  সুরম্য মসজিদ, মসজিদের গায়ে লাগানো রয়েছে ২৪৩ টি শংকর মর্মর পাথর, পাথরের সাথে মসজিদের মসজিদের গায়ে লাগিয়ে দেয়া হয় ২৫ টনের মতো চীনামাটির টুকরা। নয়নাভিরাম এই মসজিদটির ২৭ টি মিনার রয়েছে যার ৫টি এখনও অসম্পূর্ণ।

কিভাবে যাওয়া যায়: 

চিনি মসজিদটি সৈয়দপুর উপজেলায় অবস্থিত। নীলফামারী থেকে সড়কপথে এবং রেলপথে সৈয়দপুর রেলওয়ে স্টেশনে নেমে চিনি মসজিদ যাওয়া     

নীল সাগর

নীলফামারী  জেলা শহর  থেকে  উত্তর পশ্চিমে  ১৪.৫  কিলো  মিটারদূরে  গোড়গ্রাম  ইউনিয়নের  ধোপাডাঙ্গা  মৌজায়  অবস্থিত  ৫৩.৯  একর আয়ত  নবিশিষ্ট  এ জলাশয়  টির  আনুমানিক  খননকাল  অষ্টম  শতাব্দীর  কোন  একসময়ে  ।হিন্দুশাস্ত্র পর্যালোচনা  করে  দেখা যায়  খ্রিস্টপূর্ব  নবম  হতে অষ্টম  শতাব্দীতে  কুরুক্ষেত্রের   যুদ্ধে বিরাট রাজা  পান্ডবদের  এবং  রাজা  ভগ দত্ত  করে  যুদ্ধে অবতীর্ণ  হন।  পান্ডবরা  যুদ্ধেপরাজিত হয়ে বারো বছরের জন্য বনবাসে যেতে বাধ্য  হয়।  নির্বাসনের স্থান  মনোনীত  করেন।  পান্ডবদের  তৃষ্ণা  মেটাবার  জন্য  বিরাট  রাজা  তখন  এই  বিশাল দীঘিটি  খনন  করেন।  বিরাট  দীঘির  অপভ্রংশ হিসেবে  কালক্রমে বিরাট দীঘি,বিল্টাদীঘি এবং অবশেষে  বিন্নাদীঘি  হিসেবে  পরিচিতি  পায়।

১৯৭৯ সালে  তৎকালীন মহকুমা প্রশাসক  জনাব  আঃজব্বার এ  দীঘিকে একটি পর্যটন কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষে  আনুষঙ্গিক সংস্কারের  পাশাপাশি  নামকরণকরেন নীলসাগর

নীলসাগরের  সবচেয়ে বড় আকর্ষণ  এর  উদার  উদাস  পরিবেশ।  শীতকালে অতিথি  পাখির আগমনে উচ্ছল হয়ে ওঠে এর পরিবেশ।  পর্যটন  কেন্দ্র  হিসেবে  এর  সুখ্যাতি  দিন  দিন  বৃদ্ধি  পাচ্ছে।

কিভাবে যাওয়া যায়: 

গোড়গ্রাম ইউনিয়নের ধোপাডাঙ্গায় অবস্থিত নীলসাগরে নীলফামারী থেকে সড়কপথে যাওয়া যায়।

ধর্মপালের রাজবাড়ী

গড় ধর্মপালের  র্পর্বদিকে একটি ছোট নদীর তীরে ধর্মপালের রাজ প্রাসাদ ছিল।  ধর্মপালের গড় থেকে ১ মাইল উত্তর-পশ্চিমে একটি মজে যাওয়া জলাশয় রয়েছে। যার পূর্ব পাড়ে বাঁধানো ঘাট ও একটি ৬ ফুট উঁচু ঢিবি এবং ঢিবির ভিতরের প্রাচীরের ইট দেখে অনেকে এটাকে ধর্মপালের রাজবাড়ি বলে মনে করেন।

কিভাবে যাওয়া যায়: 

জলঢাকা উপজেলার গড় ধর্মপালের র্পর্বদিকে একটি ছোট নদীর তীরে ধর্মপালের রাজ বাড়ী অবস্থিত। নীলফামারী শহর থেকে সড়কপথে ধর্মপালের রাজ বাড়ী যাওয়া যায়।

 অন্যান্য দর্শনীয় স্থান গুলো হচ্ছে:

  •  তিস্তা বারেজ
  •  কুন্দুপুকুর মাজার
  •  হযরত শাহ কলন্দর মাজার
  •  হরিশচন্দ্রের পাঠ
  •  ময়নামতির দূর্গ
  •  ভীমের মায়ের চুলা 

তথ্যসূত্র : জেলা তথ্যবাতায়ন 
  

নীলফামারী জেলার পর্যটন অঞ্চলের বিস্তারিত সংযোজনের কাজ চলছে। খুব শিঘ্রই পর্যটন অঞ্চল সংযোজন করা হবে। আপনার জেলার দর্শনীয় স্থানগুলো সংযোজন করতে আমাদের তথ্য দিয়ে সাহায্য করুন।